ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজার-৪ আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত: এনসিপি, বাসদ ও জাতীয় পার্টি পিছিয়ে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ছয় প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ভোটপ্রাপ্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই তিন প্রার্থী তাদের প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণে নির্ধারিত কোটা অর্জন করতে পারেননি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এনসিপি মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশ (শাপলা কলি) প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৫৬৩ ভোট, বাসদ মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল হাসান (মই) প্রতীক নিয়ে ৯৮১ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জরিপ হোসেন (লাঙ্গল) প্রতীক নিয়ে ৯২৪ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পান, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই নিয়ম মেনেই উল্লিখিত তিন প্রার্থীর জামানত ফেরত দেওয়া হচ্ছে না।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এই আসনে মোট ২ লাখ ৭২ হাজার ৯১৬টি ভোট পড়েছে। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬১টি এবং বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৮৫৫টি। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, ১১ দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট। এছাড়া, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহসিন মিয়া ৩৪ হাজার ১৪৭ ভোট পেয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক দুর্বলতা, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার অভাব এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোটদানের ফলেই এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ আসনে ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৫৫.৯৬ শতাংশ। এই আসনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪২৮ ভোট এবং ‘না’ প্রতীকে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৩৩ ভোট পড়েছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যামাজনের ডেটা সেন্টারে ড্রোন হামলা, বিশ্বব্যাপী সেবা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা

মৌলভীবাজার-৪ আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত: এনসিপি, বাসদ ও জাতীয় পার্টি পিছিয়ে

আপডেট সময় : ০৫:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ছয় প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ভোটপ্রাপ্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই তিন প্রার্থী তাদের প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণে নির্ধারিত কোটা অর্জন করতে পারেননি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এনসিপি মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশ (শাপলা কলি) প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৫৬৩ ভোট, বাসদ মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল হাসান (মই) প্রতীক নিয়ে ৯৮১ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জরিপ হোসেন (লাঙ্গল) প্রতীক নিয়ে ৯২৪ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পান, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই নিয়ম মেনেই উল্লিখিত তিন প্রার্থীর জামানত ফেরত দেওয়া হচ্ছে না।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এই আসনে মোট ২ লাখ ৭২ হাজার ৯১৬টি ভোট পড়েছে। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬১টি এবং বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৮৫৫টি। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, ১১ দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট। এছাড়া, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহসিন মিয়া ৩৪ হাজার ১৪৭ ভোট পেয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক দুর্বলতা, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার অভাব এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোটদানের ফলেই এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ আসনে ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৫৫.৯৬ শতাংশ। এই আসনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪২৮ ভোট এবং ‘না’ প্রতীকে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৩৩ ভোট পড়েছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে।