ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে রেকর্ড ভোটে বিজয়ী ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল, জেলার অন্যান্য আসনেও বিএনপির জয়জয়কার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে জেলার সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক শ্যামল এই আসনে ২ লক্ষ ৯ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রায় দেড় লক্ষ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আতাউল্লাহ শাপলা প্রতীকে ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট পান। এই ঐতিহাসিক জয়কে দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা ও মানুষের ভালোবাসার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। তিনি মনে করেন, সারাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ী হওয়ার ফলে দলের চেয়ারপারসন ইঞ্জিনিয়ার শ্যামলকে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দেবেন।

জেলা বিএনপির এই বিজয়ের ধারা অব্যাহত রয়েছে জেলার অন্যান্য আসনেও। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এম এ হান্নান ৬৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান, যিনি ঘোড়া প্রতীকে ৩৫ হাজার ২২০ ভোট পান।

বহুল আলোচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বিএনপির বহিষ্কৃত এই নেতা হাঁস প্রতীকে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-এর সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব, যিনি খেজুর গাছ প্রতীকে ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট পান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মুশফিকুর রহমান ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আতাউড় রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট পান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এম এ মান্নান ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপসকে (ফুটবল প্রতীক) সামান্য ব্যবধানে পরাজিত করেছেন, যিনি ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট পান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীকে ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মো. মহসীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩৭ হাজার ৯৬৫ ভোট পান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যামাজনের ডেটা সেন্টারে ড্রোন হামলা, বিশ্বব্যাপী সেবা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে রেকর্ড ভোটে বিজয়ী ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল, জেলার অন্যান্য আসনেও বিএনপির জয়জয়কার

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে জেলার সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক শ্যামল এই আসনে ২ লক্ষ ৯ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রায় দেড় লক্ষ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আতাউল্লাহ শাপলা প্রতীকে ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট পান। এই ঐতিহাসিক জয়কে দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা ও মানুষের ভালোবাসার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। তিনি মনে করেন, সারাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ী হওয়ার ফলে দলের চেয়ারপারসন ইঞ্জিনিয়ার শ্যামলকে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দেবেন।

জেলা বিএনপির এই বিজয়ের ধারা অব্যাহত রয়েছে জেলার অন্যান্য আসনেও। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এম এ হান্নান ৬৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান, যিনি ঘোড়া প্রতীকে ৩৫ হাজার ২২০ ভোট পান।

বহুল আলোচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বিএনপির বহিষ্কৃত এই নেতা হাঁস প্রতীকে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-এর সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব, যিনি খেজুর গাছ প্রতীকে ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট পান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মুশফিকুর রহমান ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আতাউড় রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট পান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এম এ মান্নান ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপসকে (ফুটবল প্রতীক) সামান্য ব্যবধানে পরাজিত করেছেন, যিনি ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট পান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীকে ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মো. মহসীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩৭ হাজার ৯৬৫ ভোট পান।