ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

‘জামায়াত নেতা’ সন্দেহে আটকে রাখলেন বিএনপি নেতাকর্মী, যাচাই করে দেখা গেলো প্রিসাইডিং অফিসার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুলের ভোটকেন্দ্রে বশির উল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে জামায়াত নেতা সন্দেহে কেন্দ্রের ভেতরে আটক করে রাখেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এরপর যাচাই-বাছাই করে দেখা গেলো ওই ব্যক্তি জামায়াত নেতা নন, বরং  প্রিসাইডিং অফিসার বশির উল্লাহ। তিনি ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার। 

বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।  

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তেই ভাইরাল হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তিকে আটক করে কেন্দ্রের মধ্যে রাখা হয়। এ সময় কেন্দ্রের ভোটকক্ষের মেঝেতে ব্যালট ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কেউ একজন বলছিল, রাতে সিল মারার জন্য তারা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। পরে দেখা যায়, বিষয়টি সাজানো। 

এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গিয়ে বিষয়টি যাচাই বাছাই করে দেখেছেন। বিষয়টি জেনে শান্ত হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। 

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, বশির উল্লাহ ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ও সানারপাড় রওশন আরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনও প্রমাণ আমরা পাইনি। তিনি মূলত পোলিং এজেন্টের নিয়োগপত্র সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে কাজ করছিলেন। এখানে বাইরের কেউ ছিল না। নির্বাচন কমিশনের বিধি ও নিয়ম অনুযায়ীই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনও প্রমাণ আমরা পাইনি। অযথা একটা ঝামেলা তৈরি করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, তিনি নির্বাচনের আগের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যালট পেপারের সংখ্যা ও ভোটারের সংখ্যার মিল রয়েছে কিনা, তা যাচাই করছিলেন। এটি একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোট গ্রহণের আগে এ ধরনের যাচাই করা হয়ে থাকে। তবে এই সময় কিছু বহিরাগত লোক এসে নানা অভিযোগ তুলেছে। তবে তাদের দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি এই দায়িত্বে বহাল থাকবেন। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই মিত্র দেশের নেতৃত্বের পতনেও চীন কেন নীরব দর্শক?

‘জামায়াত নেতা’ সন্দেহে আটকে রাখলেন বিএনপি নেতাকর্মী, যাচাই করে দেখা গেলো প্রিসাইডিং অফিসার

আপডেট সময় : ১১:২১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুলের ভোটকেন্দ্রে বশির উল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে জামায়াত নেতা সন্দেহে কেন্দ্রের ভেতরে আটক করে রাখেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এরপর যাচাই-বাছাই করে দেখা গেলো ওই ব্যক্তি জামায়াত নেতা নন, বরং  প্রিসাইডিং অফিসার বশির উল্লাহ। তিনি ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার। 

বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।  

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তেই ভাইরাল হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তিকে আটক করে কেন্দ্রের মধ্যে রাখা হয়। এ সময় কেন্দ্রের ভোটকক্ষের মেঝেতে ব্যালট ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কেউ একজন বলছিল, রাতে সিল মারার জন্য তারা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। পরে দেখা যায়, বিষয়টি সাজানো। 

এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গিয়ে বিষয়টি যাচাই বাছাই করে দেখেছেন। বিষয়টি জেনে শান্ত হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। 

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, বশির উল্লাহ ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ও সানারপাড় রওশন আরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনও প্রমাণ আমরা পাইনি। তিনি মূলত পোলিং এজেন্টের নিয়োগপত্র সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে কাজ করছিলেন। এখানে বাইরের কেউ ছিল না। নির্বাচন কমিশনের বিধি ও নিয়ম অনুযায়ীই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনও প্রমাণ আমরা পাইনি। অযথা একটা ঝামেলা তৈরি করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, তিনি নির্বাচনের আগের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যালট পেপারের সংখ্যা ও ভোটারের সংখ্যার মিল রয়েছে কিনা, তা যাচাই করছিলেন। এটি একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোট গ্রহণের আগে এ ধরনের যাচাই করা হয়ে থাকে। তবে এই সময় কিছু বহিরাগত লোক এসে নানা অভিযোগ তুলেছে। তবে তাদের দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি এই দায়িত্বে বহাল থাকবেন।