নির্বাচনের মাত্র একদিন বাকি। আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা বন্ধ থাকলেও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় গোপন প্রচার, কালো টাকা বিতরণ এবং অস্ত্রধারীদের মাধ্যমে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটি এই অভিযোগ তোলে এবং প্রশাসনে অভিযোগ করেও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ার কথা জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রচার শেষ হওয়ার পরেও বিভিন্ন এলাকায় গোপনে নির্বাচনী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে, ভোটারদের প্রভাবিত করার লক্ষ্যে কালো টাকা বিতরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়াও, চিহ্নিত অস্ত্রধারীরা এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, এই সকল ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয় যে, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকায় একটি ভোট কেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়েছে। এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে জামায়াত নেতারা বলেন, অন্যান্য সিসি ক্যামেরাগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও তারা শঙ্কিত। ভোটের দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তাই, তারা ভোটের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সদস্য মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কাশেম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির খোরশেদ আলম আনসারি, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছলিম উল্লাহ বাহাদুর এবং শহর জামায়াতের সেক্রেটারি রিয়াজ মোহাম্মদ শাকিলসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 




















