ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

স্বামী হত্যার বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলে ঘোষণার পর নিজ দলের এক শীর্ষ নেতাকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে বিচার চেয়েছেন নিহতের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ‘যমুনা’-এর সামনে অবস্থান নিয়ে তিনি এই বিচার দাবি করেন। নিহতের স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা ছাড়াও তার সাথে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

তাদের মূল দাবি, ওসমান হাদি হত্যার ঘটনাটি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। কেন এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা উদঘাটনের জন্য আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

‘ইনকিলাব মঞ্চ’র পক্ষ থেকে ফাতিমা তাসনিম জুমা গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা সরকার, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আমরা এক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই আমরা ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা পরে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে

স্বামী হত্যার বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলে ঘোষণার পর নিজ দলের এক শীর্ষ নেতাকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে বিচার চেয়েছেন নিহতের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ‘যমুনা’-এর সামনে অবস্থান নিয়ে তিনি এই বিচার দাবি করেন। নিহতের স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা ছাড়াও তার সাথে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

তাদের মূল দাবি, ওসমান হাদি হত্যার ঘটনাটি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। কেন এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা উদঘাটনের জন্য আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

‘ইনকিলাব মঞ্চ’র পক্ষ থেকে ফাতিমা তাসনিম জুমা গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা সরকার, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আমরা এক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই আমরা ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা পরে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।