ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

আইনি জটিলতায় মিলল না বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলে মুক্তি

বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের প্যারোলে মুক্তি না পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে শুরু হওয়া আলোচনার অবসান ঘটিয়েছেন জেলা প্রশাসন। বিদ্যমান আইনি সীমাবদ্ধতার কারণেই তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হোসেনের প্যারোলে মুক্তির আবেদনটি গত শুক্রবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছায়। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করেন।

কারা কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাদ্দাম হোসেন বর্তমানে সংশ্লিষ্ট জেলার বাইরের একটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। ২০১৬ সালের কারাবিধি অনুযায়ী, কোনো বন্দি যদি নিজ জেলার বাইরের কারাগারে অবস্থান করেন, তবে তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার কোনো আইনি সুযোগ নেই।

জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, আবেদনকারীদের এই আইনি বিধি-নিষেধের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যাখ্যা পাওয়ার পর আবেদনকারীরা সন্তোষ প্রকাশ করে ফিরে যান। এরপর এই বিষয়ে নতুন করে আর কোনো আবেদন বা যোগাযোগ করা হয়নি। মূলত কারাবিধির এই বিশেষ ধারার কারণেই জনমনে তৈরি হওয়া কৌতূহল ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইনি জটিলতায় মিলল না বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলে মুক্তি

আপডেট সময় : ১১:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের প্যারোলে মুক্তি না পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে শুরু হওয়া আলোচনার অবসান ঘটিয়েছেন জেলা প্রশাসন। বিদ্যমান আইনি সীমাবদ্ধতার কারণেই তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হোসেনের প্যারোলে মুক্তির আবেদনটি গত শুক্রবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছায়। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করেন।

কারা কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাদ্দাম হোসেন বর্তমানে সংশ্লিষ্ট জেলার বাইরের একটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। ২০১৬ সালের কারাবিধি অনুযায়ী, কোনো বন্দি যদি নিজ জেলার বাইরের কারাগারে অবস্থান করেন, তবে তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার কোনো আইনি সুযোগ নেই।

জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, আবেদনকারীদের এই আইনি বিধি-নিষেধের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যাখ্যা পাওয়ার পর আবেদনকারীরা সন্তোষ প্রকাশ করে ফিরে যান। এরপর এই বিষয়ে নতুন করে আর কোনো আবেদন বা যোগাযোগ করা হয়নি। মূলত কারাবিধির এই বিশেষ ধারার কারণেই জনমনে তৈরি হওয়া কৌতূহল ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে।