ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আফগানিস্তান ইস্যুতে সুর বদল ট্রাম্পের: ব্রিটিশ সেনাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট

আফগানিস্তান যুদ্ধে ন্যাটো বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর এবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটিশ সেনাদের ‘অত্যন্ত সাহসী’ ও ‘প্রকৃত যোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করে তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় মিত্রদের তীব্র সমালোচনার মুখে শনিবার ট্রাম্পের এই নতুন অবস্থান সামনে আসে।

এর আগে আফগানিস্তানে ইউরোপীয় সৈন্যদের অবদান নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছিলেন, যুদ্ধ চলাকালীন ইউরোপীয় সৈন্যরা সম্মুখ সারিতে থেকে লড়াই করেনি। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ট্রাম্পের ওই বক্তব্যকে ‘অপমানজনক ও ভয়াবহ’ বলে কঠোর সমালোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া প্রতিক্রিয়ার একদিন পরই ট্রাম্প তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসে ব্রিটিশ বাহিনীর সাহসিকতার স্বীকৃতি দিলেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এড়াতে এবং সামরিক মহলের ক্ষোভ প্রশমিত করতেই ট্রাম্প তার সুর নরম করেছেন।

উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে সম্মুখ সমরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ট্রাম্পের আগের মন্তব্যে সেই ত্যাগ ও অবদানকে খাটো করে দেখা হয়েছে বলে মনে করছিলেন সংশ্লিষ্টরা। তবে নতুন করে দেওয়া এই প্রশংসাসূচক বার্তার মাধ্যমে ট্রাম্প সেই বিতর্ক আপাতত সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস, তবে দাখিল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি

আফগানিস্তান ইস্যুতে সুর বদল ট্রাম্পের: ব্রিটিশ সেনাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় : ১১:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

আফগানিস্তান যুদ্ধে ন্যাটো বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর এবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটিশ সেনাদের ‘অত্যন্ত সাহসী’ ও ‘প্রকৃত যোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করে তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় মিত্রদের তীব্র সমালোচনার মুখে শনিবার ট্রাম্পের এই নতুন অবস্থান সামনে আসে।

এর আগে আফগানিস্তানে ইউরোপীয় সৈন্যদের অবদান নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছিলেন, যুদ্ধ চলাকালীন ইউরোপীয় সৈন্যরা সম্মুখ সারিতে থেকে লড়াই করেনি। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ট্রাম্পের ওই বক্তব্যকে ‘অপমানজনক ও ভয়াবহ’ বলে কঠোর সমালোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া প্রতিক্রিয়ার একদিন পরই ট্রাম্প তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসে ব্রিটিশ বাহিনীর সাহসিকতার স্বীকৃতি দিলেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এড়াতে এবং সামরিক মহলের ক্ষোভ প্রশমিত করতেই ট্রাম্প তার সুর নরম করেছেন।

উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে সম্মুখ সমরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ট্রাম্পের আগের মন্তব্যে সেই ত্যাগ ও অবদানকে খাটো করে দেখা হয়েছে বলে মনে করছিলেন সংশ্লিষ্টরা। তবে নতুন করে দেওয়া এই প্রশংসাসূচক বার্তার মাধ্যমে ট্রাম্প সেই বিতর্ক আপাতত সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।