ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় কনকনে শীতের দাপট: তাপমাত্রা ১১.৩ ডিগ্রি, বাড়ছে শীতজনিত রোগ

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ রবিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এদিন বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩ শতাংশ। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা ওঠানামা করলেও কনকনে শীতের অনুভূতি কমেনি।

স্থানীয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার জেলায় তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা শনিবার সামান্য বেড়ে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে দাঁড়ায়। আজ রবিবার তা আরও কিছুটা বেড়ে ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তবে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিম শীতল বাতাসের কারণে হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে ভোরে ও রাতে শীতের প্রকোপ থাকছে অনেক বেশি।

এদিকে, তীব্র শীতের কারণে চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সকালের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও হিমেল হাওয়ার কারণে জনজীবনে স্বস্তি ফিরছে না। সবথেকে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ, শিশু এবং বয়স্করা। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগবালাই। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শীতকালীন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শীতজনিত কারণে বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। গত সপ্তাহে জেলাজুড়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে শীত অব্যাহত থাকছে, যা আগামী কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুবাইয়ে প্রতিরক্ষা মিসাইলের আঘাতে মৃত্যু, আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

চুয়াডাঙ্গায় কনকনে শীতের দাপট: তাপমাত্রা ১১.৩ ডিগ্রি, বাড়ছে শীতজনিত রোগ

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ রবিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এদিন বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩ শতাংশ। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা ওঠানামা করলেও কনকনে শীতের অনুভূতি কমেনি।

স্থানীয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার জেলায় তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা শনিবার সামান্য বেড়ে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে দাঁড়ায়। আজ রবিবার তা আরও কিছুটা বেড়ে ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তবে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিম শীতল বাতাসের কারণে হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে ভোরে ও রাতে শীতের প্রকোপ থাকছে অনেক বেশি।

এদিকে, তীব্র শীতের কারণে চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সকালের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও হিমেল হাওয়ার কারণে জনজীবনে স্বস্তি ফিরছে না। সবথেকে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ, শিশু এবং বয়স্করা। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগবালাই। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শীতকালীন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শীতজনিত কারণে বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। গত সপ্তাহে জেলাজুড়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে শীত অব্যাহত থাকছে, যা আগামী কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।