ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জামায়াত আমিরের ঐক্যের বার্তা: বিভাজন নয়, সংহতিই ভবিষ্যৎ রাজনীতির ভিত্তি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বিভাজন নয়, বরং ঐক্যই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির মূল ভিত্তি হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে একটি বৈষম্যহীন, স্বচ্ছ ও মানবিক রাষ্ট্র। এ রাষ্ট্রে রাজনীতির মূল ভিত্তি হবে বিভাজন নয়, বরং আশা, নিরাময় এবং সংহতি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জামায়াতে ইসলামী এমন একটি রাষ্ট্র গঠনে বিশ্বাস করে যেখানে আধুনিক বাজার অর্থনীতি কার্যকর থাকবে এবং প্রশাসনিক কাঠামো হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক।

জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, তাদের প্রস্তাবিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি সবার জন্য ন্যায় ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও দেশে মবের ঘটনা অব্যাহত: সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা

জামায়াত আমিরের ঐক্যের বার্তা: বিভাজন নয়, সংহতিই ভবিষ্যৎ রাজনীতির ভিত্তি

আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বিভাজন নয়, বরং ঐক্যই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির মূল ভিত্তি হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে একটি বৈষম্যহীন, স্বচ্ছ ও মানবিক রাষ্ট্র। এ রাষ্ট্রে রাজনীতির মূল ভিত্তি হবে বিভাজন নয়, বরং আশা, নিরাময় এবং সংহতি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জামায়াতে ইসলামী এমন একটি রাষ্ট্র গঠনে বিশ্বাস করে যেখানে আধুনিক বাজার অর্থনীতি কার্যকর থাকবে এবং প্রশাসনিক কাঠামো হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক।

জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, তাদের প্রস্তাবিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি সবার জন্য ন্যায় ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।