যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রণীত গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা এবং প্রথম ধাপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত থাকা সত্ত্বেও এই নতুন পর্যায় কার্যকর হয়েছে।
গতকাল গাজায় একটি ১৫ সদস্যের ফিলিস্তিনি টেকনোক্রেটিক কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটি গাজার দৈনন্দিন শাসনকার্য পরিচালনা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করবে। কমিটিটি যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ‘শান্তি বোর্ড’-এর অধীনে কাজ করবে, যার প্রধান হিসেবে থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর, তুরস্ক ও কাতার জানিয়েছে যে, রামাল্লাহভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সাবেক উপমন্ত্রী আলি শাথ এই টেকনোক্রেটিক কমিটির নেতৃত্ব দেবেন।
শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং হামাস ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে জিম্মি থাকা ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে, এই ধাপে কেবল একজন ইসরাইলি জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে, অন্য সকলকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। এছাড়াও, হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের মতো মূল দাবিগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
দ্বিতীয় ধাপের মূল লক্ষ্য হলো অস্ত্র পরিত্যাগ, শাসন ব্যবস্থার পুনর্গঠন এবং জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। তবে, শান্তি প্রক্রিয়ার সবচেয়ে জটিল ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়গুলো, যেমন হামাসের অস্ত্রত্যাগ এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা—এগুলো এখনো সমাধানের অপেক্ষায়। এই অমীমাংসিত বিষয়গুলো ভবিষ্যতে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 



















