মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের অভিপ্রায় এবং এ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে দ্বীপটিতে ইউরোপীয় দেশগুলো সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইউরোপীয় সেনাদের এই মোতায়েন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের লক্ষ্য পূরণে কোনো প্রভাব ফেলবে না। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্যারোলিন লিভিট জোর দিয়ে বলেন, “আমি মনে করি না যে ইউরোপীয় সেনারা প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে, এমনকি গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে তার লক্ষ্যকেও প্রভাবিত করবে।” তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড কিনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি এই দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে ডেনমার্ক, যার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলো গ্রিনল্যান্ড, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ট্রাম্পের প্রস্তাবকে ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যায়িত করলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। এর জেরে ট্রাম্প ডেনমার্কের সঙ্গে তার নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় সফর বাতিল করেন।
এই প্রেক্ষাপটে, ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের অভিপ্রায়ের মুখে ইউরোপীয় দেশগুলো দ্বীপটিতে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আর্কটিক অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখার একটি প্রচেষ্টা। তবে হোয়াইট হাউস তাদের অবস্থানে অনড় থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ইউরোপের এই সামরিক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
রিপোর্টারের নাম 



















