ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে ‘অবৈধ মাদরাসা’ পরিচালনার অভিযোগ তুলে একটি স্কুল ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। মঙ্গলবার প্রদেশের বেতুল জেলার ভৈনসদেহি মহকুমার ধাবা গ্রামের এই ঘটনা ঘটেছে, যা দেশটিতে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
ধাবা গ্রামের বাসিন্দা আবদুন নাইম নিজ উদ্যোগে প্রায় ২০ লাখ রুপি খরচ করে স্কুলটি নির্মাণ করেছিলেন। জানা গেছে, গ্রামটিতে দুই হাজার বাসিন্দার মধ্যে মাত্র তিনটি মুসলিম পরিবার রয়েছে। এত কম সংখ্যক মুসলিম পরিবার থাকা সত্ত্বেও স্কুলটিকে ‘মাদরাসা’ হিসেবে চিহ্নিত করে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে।
এই স্কুল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে দেশটিতে চলমান ইসলামোফোবিয়ার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন অনেকে। সমালোচকদের মতে, মধ্যপ্রদেশে সরকারিভাবে পরিচালিত ৮৩ হাজার স্কুলের মধ্যে প্রায় ২০০টির কোনো নিজস্ব ভবন নেই। এছাড়া, ২ হাজার স্কুলে ছেলেদের জন্য এবং ১ হাজার ৭০০ স্কুলে মেয়েদের জন্য কোনো শৌচাগার নেই। এমন বহু স্কুল বছরের পর বছর ধরে পরিচালিত হলেও, একটি বেসরকারি স্কুলকে ‘মাদরাসা’ অভিযোগে গুঁড়িয়ে দেওয়াকে বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এই ঘটনা প্রশাসনের দ্বিমুখী নীতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি অসহিষ্ণুতার প্রতিফলন বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টারের নাম 



















