ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে আজ শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক শুনানি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ঐতিহাসিক শুনানি আজ সোমবার থেকে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) শুরু হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ-এ এই শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলবে।

মিয়ানমার সরকার শুরু থেকেই তাদের বিরুদ্ধে আনীত গণহত্যার যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইসিজে-তে এটিই প্রথম কোনো গণহত্যার মামলা, যার পূর্ণাঙ্গ শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিষয়টির সংবেদনশীলতা এবং তথ্যগত গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে এই শুনানির কার্যক্রম সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মামলার গতিপ্রকৃতি ও সম্ভাব্য ফলাফলের প্রভাব কেবল মিয়ানমারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা গণহত্যার মামলার ওপরও এই বিচারের প্রভাব পড়তে পারে।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো অমানবিক নির্যাতনের বিচার এবং দোষীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে এই শুনানিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার নতুন পথ উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে আনসারদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে আজ শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক শুনানি

আপডেট সময় : ১১:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ঐতিহাসিক শুনানি আজ সোমবার থেকে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) শুরু হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ-এ এই শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলবে।

মিয়ানমার সরকার শুরু থেকেই তাদের বিরুদ্ধে আনীত গণহত্যার যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইসিজে-তে এটিই প্রথম কোনো গণহত্যার মামলা, যার পূর্ণাঙ্গ শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিষয়টির সংবেদনশীলতা এবং তথ্যগত গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে এই শুনানির কার্যক্রম সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মামলার গতিপ্রকৃতি ও সম্ভাব্য ফলাফলের প্রভাব কেবল মিয়ানমারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা গণহত্যার মামলার ওপরও এই বিচারের প্রভাব পড়তে পারে।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো অমানবিক নির্যাতনের বিচার এবং দোষীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে এই শুনানিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার নতুন পথ উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।