ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসানের জানাজায় মানুষের ঢল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকালে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় অংশ নেন বিএনপি ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, সাবেকমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবিব মাসুদ, মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসানসহ অনেকে। পরে মাহমুদুল হাসানকে জেলার সন্তোষে দাফন করা হয়।

বুধবার বিকালে ঢাকার গুলশানে তার নিজ বাসায় মাহমুদুল হাসান বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাহমুদুল হাসান মেজর জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনামলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১২ সালের উপনির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য হন। এ ছাড়াও তিনি ১৯৮৯-১৯৯০ পর্যন্ত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৩ সালে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বসাহিত্যের অনুবাদে অসংগতি: একই বইয়ের ভিড়ে উপেক্ষিত বিশ্বসেরারা

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসানের জানাজায় মানুষের ঢল

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকালে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় অংশ নেন বিএনপি ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, সাবেকমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবিব মাসুদ, মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসানসহ অনেকে। পরে মাহমুদুল হাসানকে জেলার সন্তোষে দাফন করা হয়।

বুধবার বিকালে ঢাকার গুলশানে তার নিজ বাসায় মাহমুদুল হাসান বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাহমুদুল হাসান মেজর জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনামলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১২ সালের উপনির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য হন। এ ছাড়াও তিনি ১৯৮৯-১৯৯০ পর্যন্ত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৩ সালে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা করেন তিনি।