বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভিড় বাড়ছে নেতাকর্মীদের। প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অনেকে। হাসপাতালের সামনের দুই পাশের রাস্তা লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে। অনেকটা ছড়িয়ে গেছে এর বিস্তৃতি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরের পর সরেজমিন দেখা গেছে, ভিড় সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও দলীয় স্বেচ্ছাসেবকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। মানুষের চাপে উভয় পাশে যান চলাচল কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।
এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নেতাকর্মীরা (ছবি: নাসিরুল ইসলাম)
অনেকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের ছবি প্রদর্শন করছেন। কেউ কেউ ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছেন। অনেকে আহাজারি করছেন। এতে সৃষ্টি হয়েছে বেদনাবিধূর পরিবেশ। সাধারণ নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারাও হাসপাতালে ছুটে আসছেন।
এরই মধ্যে সেখানে গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক ও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
তারা বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীনতার প্রতীক। অন্যায়ের কাছে তারা কখনও মাথা নত করেননি। তারা তার জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করেন। এছাড়াও দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও দলীয় চেয়ারপারসনের জন্য কান্নায় ভেঙে পড়েন।
উত্তরা থেকে আহত যুবদল কর্মী আনিসুর রহমান আযাদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। তাই মনটা ভালো নেই।
এভারকেয়ার হাসতাপালের সমানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় (ছবি: নাসিরুল ইসলাম)
গাজীপুরের টঙ্গী থেকে আসা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী জামিল খান বলেন, রাজনীতির কঠিন সময়ে চলে গেলেন আমাদের অভিভাবক। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।
যাত্রাবাড়ী থেকে আসা মহিলা দলের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেত্রী বিলকিস বেগম বলেন, আমাদের শেষ আশ্রয় ছিলেন বেগম জিয়া। তার মৃত্যু আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
এমন অসংখ্য নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে শোকাবহ ও বেদনাবিধূর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে এভার কেয়ারের সামনে।
রিপোর্টারের নাম 

























