দেশের প্রথম নারী ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই শোকবার্তা জানানো হয়।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং একজন সাহসী, প্রজ্ঞাবান ও আপসহীন রাজনৈতিক নেতা। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন দৃঢ় নেতৃত্ব ও প্রতিবাদের এক উজ্জ্বল প্রতীক। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে তার বলিষ্ঠ ভূমিকা জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছে। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই উপদেষ্টা আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে তিনি যে অসামান্য অবদান রেখেছেন, তা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অবিস্মরণীয় কর্ম আমাদের সর্বদা অনুপ্রাণিত করবে।”
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসারত অবস্থায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের এই প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি যুগের অবসান। গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে তিনি ছিলেন দৃঢ় ও আপসহীন এক নেত্রী। এই রাজনীতিকের চলে যাওয়ায় রাজনীতির ময়দান হারালো এক শক্তিশালী ও প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর।
রিপোর্টারের নাম 

























