ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা মিলন গ্রেফতার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

যশোর জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক, শীর্ষ সন্ত্রাসী জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে ‘টাক মিলনকে’ গ্রেফতার করেছে যশোরের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে ঢাকার রামপুরা এলাকায় একটি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র-মাদক হত্যা চাঁদাবাজিসহ সর্বমোট ১১ মামলা রয়েছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকালে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে মিলন যশোর পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন।

পুলিশ বলছে, শহরে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে মিলনের বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপনে ছিলেন।

যশোর ডিবির ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সেসব ঘটনায় মামলাও রয়েছে। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ রয়েছে। ডিবির একটি টিম মিলনের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এরপর গ্রেফতারি পরোয়ানার মামলায় হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে দুবাই থেকে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে দেশে ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মদ্যপ অবস্থায় তিন সহযোগীসহ আটক হন। ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা মামলার আসামি মিলন।

যশোর শহরের পালবাড়ি মোড়ে রয়েল কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ক্যাসিনো (জুয়া) ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ ছিলো টাক মিলনের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য তরিকুল ইসলামের বাড়িতে কমপক্ষে ১০ বার ককটেল হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মিলনের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই দশক পর এম. সাইফুর রহমানের নামে ফিরছে সিলেট অডিটোরিয়াম

যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা মিলন গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

যশোর জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক, শীর্ষ সন্ত্রাসী জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে ‘টাক মিলনকে’ গ্রেফতার করেছে যশোরের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে ঢাকার রামপুরা এলাকায় একটি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র-মাদক হত্যা চাঁদাবাজিসহ সর্বমোট ১১ মামলা রয়েছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকালে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে মিলন যশোর পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন।

পুলিশ বলছে, শহরে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে মিলনের বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপনে ছিলেন।

যশোর ডিবির ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সেসব ঘটনায় মামলাও রয়েছে। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ রয়েছে। ডিবির একটি টিম মিলনের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এরপর গ্রেফতারি পরোয়ানার মামলায় হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে দুবাই থেকে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে দেশে ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মদ্যপ অবস্থায় তিন সহযোগীসহ আটক হন। ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা মামলার আসামি মিলন।

যশোর শহরের পালবাড়ি মোড়ে রয়েল কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ক্যাসিনো (জুয়া) ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ ছিলো টাক মিলনের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য তরিকুল ইসলামের বাড়িতে কমপক্ষে ১০ বার ককটেল হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মিলনের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের।