ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

পাবনার ঈশ্বরদীতে পারিবারিক জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের  বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লার ছোড়া গুলিতে বীরু মোল্লা (৪৮) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার তিকে উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত বীরু মোল্লা কামালপুর গ্রামের আবুল মোল্লার ছেলে এবং লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার পারিবারিকভাবে বিরোধপূর্ণ একটি জমি থেকে বীরু মোল্লার চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লা মাটি কাটা শুরু করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে বুধবার সকালে বীরু মোল্লা কয়েকজন লোকজন নিয়ে জহুরুল মোল্লার বাড়িতে যান।

সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ভয়ভীতি দেখান এবং উপস্থিতদের সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু তারা সরে না গেলে পরে সরাসরি গুলি ছোড়া হয়। এতে বীরু মোল্লা মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান বলেন, পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গুলির ঘটনা ঘটেছে। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রীর ফলপ্রসূ আলোচনা

পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় : ০১:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে পারিবারিক জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের  বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লার ছোড়া গুলিতে বীরু মোল্লা (৪৮) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার তিকে উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত বীরু মোল্লা কামালপুর গ্রামের আবুল মোল্লার ছেলে এবং লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার পারিবারিকভাবে বিরোধপূর্ণ একটি জমি থেকে বীরু মোল্লার চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লা মাটি কাটা শুরু করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে বুধবার সকালে বীরু মোল্লা কয়েকজন লোকজন নিয়ে জহুরুল মোল্লার বাড়িতে যান।

সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ভয়ভীতি দেখান এবং উপস্থিতদের সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু তারা সরে না গেলে পরে সরাসরি গুলি ছোড়া হয়। এতে বীরু মোল্লা মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান বলেন, পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গুলির ঘটনা ঘটেছে। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।