ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রেস সচিবের ঘোষণা: মিরপুরের অগ্নিকাণ্ড তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন যে, মিরপুরে আগুনের ঘটনায় যারা মারা গেছেন, তাদের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। একইসঙ্গে, তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রোমে সাংবাদিকদের কাছে প্রেস সচিব এসব কথা জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “সত্যি বলতে কী, বাংলাদেশে কেমিক্যাল কারখানার বিস্ফোরণের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এটা নিয়ে আমরা অনেক চেষ্টা করার পরও দেখা যাচ্ছে যে, অনেকেই অবৈধভাবে এই ধরনের কারখানা তৈরি করেন।” তিনি যোগ করেন, এই ঘটনায় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে যে, কারখানাটির লাইসেন্স ঠিক ছিল কিনা। পাশাপাশি, যারা দাহ্য পদার্থের ব্যবসা করেন বা এই ধরনের গোডাউন বা কেমিক্যাল কারখানা স্থাপন করেন, তাদের ফায়ার ডিপার্টমেন্টের যথাযথ ছাড়পত্র বা ক্লিয়ারেন্স ছিল কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “সেগুলো দেখা শেষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরাকান আর্মির প্রধানের অভিনন্দন, নতুন বন্ধুত্বের বার্তা

প্রেস সচিবের ঘোষণা: মিরপুরের অগ্নিকাণ্ড তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আপডেট সময় : ১০:০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন যে, মিরপুরে আগুনের ঘটনায় যারা মারা গেছেন, তাদের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। একইসঙ্গে, তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রোমে সাংবাদিকদের কাছে প্রেস সচিব এসব কথা জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “সত্যি বলতে কী, বাংলাদেশে কেমিক্যাল কারখানার বিস্ফোরণের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এটা নিয়ে আমরা অনেক চেষ্টা করার পরও দেখা যাচ্ছে যে, অনেকেই অবৈধভাবে এই ধরনের কারখানা তৈরি করেন।” তিনি যোগ করেন, এই ঘটনায় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে যে, কারখানাটির লাইসেন্স ঠিক ছিল কিনা। পাশাপাশি, যারা দাহ্য পদার্থের ব্যবসা করেন বা এই ধরনের গোডাউন বা কেমিক্যাল কারখানা স্থাপন করেন, তাদের ফায়ার ডিপার্টমেন্টের যথাযথ ছাড়পত্র বা ক্লিয়ারেন্স ছিল কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “সেগুলো দেখা শেষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”