মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বদরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে নিয়োগে অনিয়ম: নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের বদরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়োগপ্রত্যাশীদের দাবি, যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাবে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, অনেক প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকেও চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এছাড়া একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়োগ এবং এক ইউনিয়নের প্রার্থীকে অন্য ইউনিয়নে নিয়োগ দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এই অনিয়মের পেছনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সমাজসেবা কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে বলে নিয়োগবঞ্চিতরা অভিযোগ করেছেন। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

উল্লেখ্য, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হওয়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এমনকি নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সাধারণ আবেদনকারীরা এই বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নতুন তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি খাতে একচেটিয়া ব্যবস্থার অবসান: বেসরকারি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে সরকার

বদরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে নিয়োগে অনিয়ম: নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের বদরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়োগপ্রত্যাশীদের দাবি, যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাবে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, অনেক প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকেও চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এছাড়া একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়োগ এবং এক ইউনিয়নের প্রার্থীকে অন্য ইউনিয়নে নিয়োগ দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এই অনিয়মের পেছনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সমাজসেবা কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে বলে নিয়োগবঞ্চিতরা অভিযোগ করেছেন। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

উল্লেখ্য, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হওয়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এমনকি নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সাধারণ আবেদনকারীরা এই বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নতুন তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।