২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তি—উভয় ক্ষেত্রেই ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। সামগ্রিকভাবে, এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৬.৬৮ শতাংশ ছাত্রী।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এসএসসিতে পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রী পাসের হার ৬৭.৯১ শতাংশ, যা ছাত্রদের ৫৯.৭৩ শতাংশের তুলনায় বেশি। দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, যেখানে ছাত্রী পাসের হার ৫৯.৮৯ শতাংশ এবং ছাত্র পাসের হার ৫১.৬৪ শতাংশ। ভোকেশনাল শাখায় পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ, যেখানে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৭.৪৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৫৫.১৯ শতাংশ।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে। এবার মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র। অর্থাৎ, ছাত্রদের তুলনায় ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
এ বছর এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে, এবং দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। সেই হিসাবে, গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা থাকলেও এবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবে। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাবলী শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
রিপোর্টারের নাম 



















