২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব কেবল একটি ক্ষমতার পরিবর্তন ছিল না, বরং তা ছিল দীর্ঘ ১৭ বছরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও জুলুমের বিরুদ্ধে এক অবিনাশী বিজয়। এই গণঅভ্যুত্থান সফল করতে অগণিত ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ও অকুতোভয় সংগ্রাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একটি ঐতিহাসিক বিপ্লব কখনো একক কৃতিত্বে সম্পন্ন হয় না; এর পেছনে ছিল কোটি মানুষের দোয়া এবং রাজপথ কাঁপানো তরুণদের সংকল্প।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্যাম্পাসগুলোতে বিশেষ করে তৎকালীন ছাত্র সংগঠনের ‘গেস্টরুম কালচার’ ও টর্চার সেল সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন বিষিয়ে তুলেছিল। সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাই জুলাইয়ের আন্দোলনকে গণবিস্ফোরণে পরিণত করে। এই জাগরণ কেবল বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
শহীদদের রক্ত এবং পঙ্গুত্ব বরণকারী যোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে আজকের এই স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে আমাদের শপথ নিতে হবে যেন সেই ত্যাগের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে। জুলাই বিপ্লবের প্রকৃত ইতিহাস এবং সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কার সংস্কার প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
রিপোর্টারের নাম 




















