মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ও শাসন নিয়ে জামায়াত এমপির তীব্র সমালোচনা: সংবিধান সংস্কার ও সহিংসতা বন্ধের দাবি

ঢাকা ১২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বুধবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘শহীদদের স্মরণে দ্রোহের জুলাই’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনার প্ল্যান কী প্ল্যান? সেই প্ল্যানে তো আমাদের চোখ যাচ্ছে। এই প্ল্যান দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি হবে না।’ তিনি অনতিবিলম্বে সংবিধান সংস্কারের দাবি জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হেলমেট বাহিনী দিয়ে দখলের চেষ্টা না করার আহ্বান জানান।

জামায়াত নেতা মিলন হবিগঞ্জের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় যুবদল ও ছাত্রদলকে দায়ী করে বলেন, ‘হবিগঞ্জের ছেলেটার চোখ নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে টোটালি আপনার যুবদল এবং ছাত্রদল দায়ী, বিএনপি দায়ী। আপনারা যদি বালুতে মুখ লুকিয়ে বলেন যে আমরা এ কাজ করি নাই, সেটা হবে না।’ তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি কী প্রোগ্রাম নিয়ে দেশে এসেছেন, তা তার জানা নেই।

সাইফুল আলম খান মিলন উল্লেখ করেন, ‘চব্বিশের জুলাই ছিল একটা রক্তাক্ত জুলাই, ঘটনাক্রমে ছাব্বিশের জুলাইও রক্তাক্ত জুলাইয়ে পরিণত হয়েছে। এই রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে হবিগঞ্জের মাধ্যমে।’ তিনি ঢাকা শহরের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, আলিয়া মাদ্রাসা ও ঢাকা কলেজের ঘটনাপ্রবাহের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ছাত্র অঙ্গনে মেধার ভিত্তিতে আন্দোলন ও সিট বণ্টনের পরিবর্তে আবার হল দখল, বিনা পয়সায় খাওয়া ও গেস্ট রুমের নির্যাতন শুরু হয়েছে। তিনি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনীর মতো আবারও হেলমেট বাহিনী দেখলাম।’

তিনি বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উভয়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এই দায়িত্ব সরকার এড়াতে পারেন না, তারেক রহমানও এড়াতে পারেন না।’ জামায়াত এই সংসদ সদস্যের অভিযোগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপরিকল্পিতভাবে আক্রমণ চালানো হয়েছে এবং হামলাকারীরা সেখানকার ছাত্র নয়। তিনি যুবদলের একজন নেতা, যার নাম নয়ন, তাকে এই হামলার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দায়ী করেন। নয়নের বিরুদ্ধে এর আগেও ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সমাবেশে বাধা: সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল কারাগারে, রিমান্ড কাল

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ও শাসন নিয়ে জামায়াত এমপির তীব্র সমালোচনা: সংবিধান সংস্কার ও সহিংসতা বন্ধের দাবি

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা ১২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বুধবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘শহীদদের স্মরণে দ্রোহের জুলাই’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনার প্ল্যান কী প্ল্যান? সেই প্ল্যানে তো আমাদের চোখ যাচ্ছে। এই প্ল্যান দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি হবে না।’ তিনি অনতিবিলম্বে সংবিধান সংস্কারের দাবি জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হেলমেট বাহিনী দিয়ে দখলের চেষ্টা না করার আহ্বান জানান।

জামায়াত নেতা মিলন হবিগঞ্জের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় যুবদল ও ছাত্রদলকে দায়ী করে বলেন, ‘হবিগঞ্জের ছেলেটার চোখ নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে টোটালি আপনার যুবদল এবং ছাত্রদল দায়ী, বিএনপি দায়ী। আপনারা যদি বালুতে মুখ লুকিয়ে বলেন যে আমরা এ কাজ করি নাই, সেটা হবে না।’ তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি কী প্রোগ্রাম নিয়ে দেশে এসেছেন, তা তার জানা নেই।

সাইফুল আলম খান মিলন উল্লেখ করেন, ‘চব্বিশের জুলাই ছিল একটা রক্তাক্ত জুলাই, ঘটনাক্রমে ছাব্বিশের জুলাইও রক্তাক্ত জুলাইয়ে পরিণত হয়েছে। এই রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে হবিগঞ্জের মাধ্যমে।’ তিনি ঢাকা শহরের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, আলিয়া মাদ্রাসা ও ঢাকা কলেজের ঘটনাপ্রবাহের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ছাত্র অঙ্গনে মেধার ভিত্তিতে আন্দোলন ও সিট বণ্টনের পরিবর্তে আবার হল দখল, বিনা পয়সায় খাওয়া ও গেস্ট রুমের নির্যাতন শুরু হয়েছে। তিনি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনীর মতো আবারও হেলমেট বাহিনী দেখলাম।’

তিনি বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উভয়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এই দায়িত্ব সরকার এড়াতে পারেন না, তারেক রহমানও এড়াতে পারেন না।’ জামায়াত এই সংসদ সদস্যের অভিযোগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপরিকল্পিতভাবে আক্রমণ চালানো হয়েছে এবং হামলাকারীরা সেখানকার ছাত্র নয়। তিনি যুবদলের একজন নেতা, যার নাম নয়ন, তাকে এই হামলার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দায়ী করেন। নয়নের বিরুদ্ধে এর আগেও ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।