মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: শিরোপা জয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’-এর ১৫তম আসর। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে লোগো উন্মোচন ও ড্র সম্পন্ন হয়েছে। নেপালকে বাইরে রেখে বর্তমানে ছয়টি দল নিয়ে গ্রুপিং চূড়ান্ত করা হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গী হিসেবে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে লড়বে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। তবে ফিফার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে নেপাল যদি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফুটবলে ফেরা নিশ্চিত করতে পারে, তবে তারা বাংলাদেশের গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হবে। নেপালের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই সাফ কর্তৃপক্ষ টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে, তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে জাতীয় ফুটবল দলেও। বিশেষ করে দেওয়ান হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের মতো বিশ্বমানের প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তিতে গত এক-দেড় বছরে বাংলাদেশ অভাবনীয় উন্নতি করেছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর গৌরব অর্জনসহ ভারতের মাটিতে ড্র এবং হংকংয়ের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে সমতা ফেরানোর মতো সাফল্যগুলো দেশের ফুটবলকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে এখন প্রবাসী ও স্থানীয় ফুটবলারদের সমন্বয়ে গড়া এই শক্তিশালী দলটির সামর্থ্য প্রমাণের বড় মঞ্চ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাবেক তারকা ফুটবলারদের মতে, এবারের সাফ জয় বাংলাদেশের জন্য অন্যতম সেরা সুযোগ। জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার শেখ আসলাম মনে করেন, প্রবাসী ফুটবলারদের আগমনে দলের মধ্যমাঠ ও রক্ষণভাগ শক্তিশালী হলেও আক্রমণভাগে ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, হামজা-শমিতরা বলের জোগান দিলেও স্ট্রাইকারদের গোল করার দক্ষতায় আরও উন্নতি প্রয়োজন। ঘরের মাঠে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে তা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে গণ্য হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের সেই বিভীষিকা: হাসপাতালের রক্তাক্ত দিনগুলোর স্মৃতিচারণ

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: শিরোপা জয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৮:১০:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’-এর ১৫তম আসর। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে লোগো উন্মোচন ও ড্র সম্পন্ন হয়েছে। নেপালকে বাইরে রেখে বর্তমানে ছয়টি দল নিয়ে গ্রুপিং চূড়ান্ত করা হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গী হিসেবে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে লড়বে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। তবে ফিফার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে নেপাল যদি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফুটবলে ফেরা নিশ্চিত করতে পারে, তবে তারা বাংলাদেশের গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হবে। নেপালের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই সাফ কর্তৃপক্ষ টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে, তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে জাতীয় ফুটবল দলেও। বিশেষ করে দেওয়ান হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের মতো বিশ্বমানের প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তিতে গত এক-দেড় বছরে বাংলাদেশ অভাবনীয় উন্নতি করেছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর গৌরব অর্জনসহ ভারতের মাটিতে ড্র এবং হংকংয়ের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে সমতা ফেরানোর মতো সাফল্যগুলো দেশের ফুটবলকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে এখন প্রবাসী ও স্থানীয় ফুটবলারদের সমন্বয়ে গড়া এই শক্তিশালী দলটির সামর্থ্য প্রমাণের বড় মঞ্চ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাবেক তারকা ফুটবলারদের মতে, এবারের সাফ জয় বাংলাদেশের জন্য অন্যতম সেরা সুযোগ। জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার শেখ আসলাম মনে করেন, প্রবাসী ফুটবলারদের আগমনে দলের মধ্যমাঠ ও রক্ষণভাগ শক্তিশালী হলেও আক্রমণভাগে ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, হামজা-শমিতরা বলের জোগান দিলেও স্ট্রাইকারদের গোল করার দক্ষতায় আরও উন্নতি প্রয়োজন। ঘরের মাঠে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে তা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে গণ্য হবে।