মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের সেই বিভীষিকা: হাসপাতালের রক্তাক্ত দিনগুলোর স্মৃতিচারণ

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজপথের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি আজও জাতির হৃদয়ে অম্লান। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের হামলায় আহতদের আর্তনাদে দেশের হাসপাতালগুলোতে যে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা স্মরণ করে আজও শিউরে ওঠেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

সেই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শী জুলাইযোদ্ধা ও চিকিৎসকদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেই সময়ের ভয়াবহ চিত্র। একদিকে গুলিবিদ্ধ তরুণদের বাঁচাতে চিকিৎসকদের প্রাণপণ চেষ্টা, অন্যদিকে লাশের সারি আর স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছিল হাসপাতালের বাতাস। তৎকালীন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হাসপাতালেও হামলা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

চিকিৎসকরা জানান, তৎকালীন স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তারা জীবনঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়েছিলেন। অনেক আহত শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার আতঙ্কে যথাযথ চিকিৎসা না নিয়েই হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। চব্বিশের সেই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে এই স্মৃতিচারণ বর্তমান প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলেও সেই শহীদ ও আহতদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের সেই বিভীষিকা: হাসপাতালের রক্তাক্ত দিনগুলোর স্মৃতিচারণ

জুলাই বিপ্লবের সেই বিভীষিকা: হাসপাতালের রক্তাক্ত দিনগুলোর স্মৃতিচারণ

আপডেট সময় : ১০:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজপথের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি আজও জাতির হৃদয়ে অম্লান। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের হামলায় আহতদের আর্তনাদে দেশের হাসপাতালগুলোতে যে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা স্মরণ করে আজও শিউরে ওঠেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

সেই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শী জুলাইযোদ্ধা ও চিকিৎসকদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেই সময়ের ভয়াবহ চিত্র। একদিকে গুলিবিদ্ধ তরুণদের বাঁচাতে চিকিৎসকদের প্রাণপণ চেষ্টা, অন্যদিকে লাশের সারি আর স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছিল হাসপাতালের বাতাস। তৎকালীন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হাসপাতালেও হামলা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

চিকিৎসকরা জানান, তৎকালীন স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তারা জীবনঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়েছিলেন। অনেক আহত শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার আতঙ্কে যথাযথ চিকিৎসা না নিয়েই হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। চব্বিশের সেই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে এই স্মৃতিচারণ বর্তমান প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলেও সেই শহীদ ও আহতদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হচ্ছে।