ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘একদিন আমরা অলিম্পিকে কোয়ালিফাই করে খেলবো’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

কিছু দিন আগে সৌদি আরবের রিয়াদে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে প্রথমবারের মতো টেবিল টেনিসে বাংলাদেশ রৌপ্য পদক পেয়েছে। মিশ্র দ্বৈতে জাভেদ আহমেদ ও খৈ খৈ মারমা পদক জিতে আলোড়ন তৈরি করেছেন। তাদের স্বপ্ন এখন অলিম্পিকে জায়গা করে নেওয়া। ফেডারেশনও সংবাদ সম্মেলনে খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

 বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অডিটরিয়ামে কোচ খন্দকার মোস্তফা আল-বিল্লাহ সাফল্য নিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের ৫৩ বছর বয়সে এত বড় রেজাল্ট কখনো আসেনি। খেলোয়াড়রা অত্যন্ত আন্তরিক ছিল এবং সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছে। এতেই এই ফল এসেছে।’

পদকজয়ী জাভেদ আহমেদ বলেছেন, ‘আমাদের এই অর্জন একদিনে আসেনি। বিগত দিনের পরিশ্রম ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই এই ফলাফল। দেশের হয়ে আমরা সব সময় ইতিবাচক ফলাফলের চেষ্টা করি, কখনো ক্লিক করে আবার করে না। এবার আমাদের পারফরম্যান্স, চেষ্টা, ভাগ্য সহ সব কিছুই কাজ করেছে এজন্য পদক।’

খৈ খৈ মারমার স্বপ্ন আরও বড়, ‘গত ইসলামিক গেমসে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছিল। এবার আমাদের লক্ষ্য ছিল অন্তত কোয়ার্টার পর্যন্ত যাওয়া এরপর সম্ভব হলে এগিয়ে যাওয়া। কোয়ার্টার প্রতিপক্ষ পাওয়ার পর জাভেদ ভাই বললো চান্স আছে। চেষ্টা করলাম হয়ে গেলো। আমি চাই একদিন আমরা অলিম্পিকে কোয়ালিফাই করে খেলবো। হোক সেটা সিঙ্গেল, ডাবলস কিংবা টিম ইভেন্টে।’

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আহমেদ সনেট দক্ষিণ এশিয়ার গন্ডি পেরিয়ে মহাদেশীয় পর্যায়ে রৌপ্য পদক অর্জন করায় খৈ খৈ সাই মারমা ও জাভেদ আহমেদকে এক লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি ভারত কিংবা ইরান থেকে কোচ এনে দীর্ঘমেয়াদে কোচিং করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন মিত্ররা লক্ষ্যবস্তু

‘একদিন আমরা অলিম্পিকে কোয়ালিফাই করে খেলবো’

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

কিছু দিন আগে সৌদি আরবের রিয়াদে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে প্রথমবারের মতো টেবিল টেনিসে বাংলাদেশ রৌপ্য পদক পেয়েছে। মিশ্র দ্বৈতে জাভেদ আহমেদ ও খৈ খৈ মারমা পদক জিতে আলোড়ন তৈরি করেছেন। তাদের স্বপ্ন এখন অলিম্পিকে জায়গা করে নেওয়া। ফেডারেশনও সংবাদ সম্মেলনে খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

 বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অডিটরিয়ামে কোচ খন্দকার মোস্তফা আল-বিল্লাহ সাফল্য নিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের ৫৩ বছর বয়সে এত বড় রেজাল্ট কখনো আসেনি। খেলোয়াড়রা অত্যন্ত আন্তরিক ছিল এবং সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছে। এতেই এই ফল এসেছে।’

পদকজয়ী জাভেদ আহমেদ বলেছেন, ‘আমাদের এই অর্জন একদিনে আসেনি। বিগত দিনের পরিশ্রম ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই এই ফলাফল। দেশের হয়ে আমরা সব সময় ইতিবাচক ফলাফলের চেষ্টা করি, কখনো ক্লিক করে আবার করে না। এবার আমাদের পারফরম্যান্স, চেষ্টা, ভাগ্য সহ সব কিছুই কাজ করেছে এজন্য পদক।’

খৈ খৈ মারমার স্বপ্ন আরও বড়, ‘গত ইসলামিক গেমসে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছিল। এবার আমাদের লক্ষ্য ছিল অন্তত কোয়ার্টার পর্যন্ত যাওয়া এরপর সম্ভব হলে এগিয়ে যাওয়া। কোয়ার্টার প্রতিপক্ষ পাওয়ার পর জাভেদ ভাই বললো চান্স আছে। চেষ্টা করলাম হয়ে গেলো। আমি চাই একদিন আমরা অলিম্পিকে কোয়ালিফাই করে খেলবো। হোক সেটা সিঙ্গেল, ডাবলস কিংবা টিম ইভেন্টে।’

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আহমেদ সনেট দক্ষিণ এশিয়ার গন্ডি পেরিয়ে মহাদেশীয় পর্যায়ে রৌপ্য পদক অর্জন করায় খৈ খৈ সাই মারমা ও জাভেদ আহমেদকে এক লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি ভারত কিংবা ইরান থেকে কোচ এনে দীর্ঘমেয়াদে কোচিং করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।