ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

শারীরিক অসুস্থতা ও নিউরোলজিক্যাল সমস্যা: রাষ্ট্রপতির পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে উন্নত চিকিৎসা এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। গত কয়েক দিনে তিনি দুবার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়েছেন। সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্টে তাঁর হৃদ্‌রোগের সমস্যার পাশাপাশি স্নায়বিক (নিউরোলজিক্যাল) সমস্যাও ধরা পড়েছে বলে বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগে থেকেই হৃদ্‌রোগে ভুগছেন। অতীতে সিঙ্গাপুরে তাঁর বাইপাস সার্জারি হলেও, পরবর্তীতে শরীরে দুর্বলতা এবং কোমর ও পিঠের ব্যথা বেড়ে যায়। এরপর তিনি যুক্তরাজ্যে গিয়েও মেডিকেল চেকআপ করিয়েছিলেন। সম্প্রতি আবারও শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে তিনি চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন।

রাষ্ট্রপতির সেবায় নিয়োজিত বঙ্গভবনের কর্মীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারও রাষ্ট্রপতির একটি ব্যস্ততম দিন কেটেছে। সকালে তিনি নিজ দপ্তরে এসে চারটি ফাইলে স্বাক্ষর করেন এবং বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের এক কর্মী বলেন, রাষ্ট্রপতি অসুস্থতাজনিত কারণে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন—এই সংক্রান্ত সংবাদ বৃহস্পতিবার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অন্যান্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হওয়ায় তাঁদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ছিল। অনেকেই সেদিনকেই বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শেষ কর্মদিবস হিসেবে ধারণা করেছিলেন। তবে, বঙ্গভবনে বিদায়ের আবহও লক্ষ্য করা গেছে বলে জানান ওই কর্মী। তিনি বলেন, ‘এমনিতেই মহামান্য শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ। এর মধ্যে গণমাধ্যমে পদত্যাগের সংবাদ বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ ও প্রচারিত হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই তিনি কিছুটা বিষণ্ন ছিলেন।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন একটি সাক্ষাৎকারে নিজের বেশ কিছু আগ্রহ ও ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় তাঁর পদত্যাগের প্রসঙ্গও উঠেছিল। বঙ্গভবনে এখন কেমন আছেন এবং কবে নাগাদ পদ ছাড়তে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি স্মিত হেসে বলেছিলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ পদে আছি। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে থেকে রাষ্ট্রের কল্যাণে যতটুকু করার, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এখন সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে চাই। সংবিধানের ধারাবাহিকতা…’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খন্দকের যুদ্ধে ইসলামের বিজয়ে নুয়াইম ইবনু মাসউদ (রা.)-এর ঐতিহাসিক রণকৌশল

শারীরিক অসুস্থতা ও নিউরোলজিক্যাল সমস্যা: রাষ্ট্রপতির পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের

আপডেট সময় : ১১:০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে উন্নত চিকিৎসা এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। গত কয়েক দিনে তিনি দুবার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়েছেন। সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্টে তাঁর হৃদ্‌রোগের সমস্যার পাশাপাশি স্নায়বিক (নিউরোলজিক্যাল) সমস্যাও ধরা পড়েছে বলে বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগে থেকেই হৃদ্‌রোগে ভুগছেন। অতীতে সিঙ্গাপুরে তাঁর বাইপাস সার্জারি হলেও, পরবর্তীতে শরীরে দুর্বলতা এবং কোমর ও পিঠের ব্যথা বেড়ে যায়। এরপর তিনি যুক্তরাজ্যে গিয়েও মেডিকেল চেকআপ করিয়েছিলেন। সম্প্রতি আবারও শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে তিনি চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন।

রাষ্ট্রপতির সেবায় নিয়োজিত বঙ্গভবনের কর্মীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারও রাষ্ট্রপতির একটি ব্যস্ততম দিন কেটেছে। সকালে তিনি নিজ দপ্তরে এসে চারটি ফাইলে স্বাক্ষর করেন এবং বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের এক কর্মী বলেন, রাষ্ট্রপতি অসুস্থতাজনিত কারণে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন—এই সংক্রান্ত সংবাদ বৃহস্পতিবার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অন্যান্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হওয়ায় তাঁদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ছিল। অনেকেই সেদিনকেই বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শেষ কর্মদিবস হিসেবে ধারণা করেছিলেন। তবে, বঙ্গভবনে বিদায়ের আবহও লক্ষ্য করা গেছে বলে জানান ওই কর্মী। তিনি বলেন, ‘এমনিতেই মহামান্য শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ। এর মধ্যে গণমাধ্যমে পদত্যাগের সংবাদ বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ ও প্রচারিত হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই তিনি কিছুটা বিষণ্ন ছিলেন।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন একটি সাক্ষাৎকারে নিজের বেশ কিছু আগ্রহ ও ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় তাঁর পদত্যাগের প্রসঙ্গও উঠেছিল। বঙ্গভবনে এখন কেমন আছেন এবং কবে নাগাদ পদ ছাড়তে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি স্মিত হেসে বলেছিলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ পদে আছি। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে থেকে রাষ্ট্রের কল্যাণে যতটুকু করার, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এখন সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে চাই। সংবিধানের ধারাবাহিকতা…’