বর্তমান সরকারের ক্ষমতায়ন মানেই তারুণ্যের ক্ষমতায়ন, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান যেখানে তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি তৈরি হবে।
বুধবার রাজধানীর মিরপুরে আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেনস এডুকেশনাল প্রোগ্রামস-ইউসেপ বাংলাদেশ আয়োজিত বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এ কথা বলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমন একটি সমাজ বিনির্মাণ করা হবে যেখানে তরুণদের মধ্যে পারিবারিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক শিষ্টাচারের বিকাশ ঘটবে। প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প অনুযায়ী, শিক্ষা ব্যবস্থায় শিল্পখাত ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হবে এবং ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিক কোলাবরেশনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হবে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলা।
শ্রমিকবান্ধব সরকারের অধীনে বিগত দুই ঈদে শ্রমিকদের মধ্যে কোনো ধরনের অসন্তোষ দেখা যায়নি উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে, যেখানে তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ ছিল মূল ভোটার।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির চারটি প্রধান ক্ষেত্র চিহ্নিত করেন: দেশের বেসরকারি খাত, সরকারি খাত, দেশের বাইরে এবং স্বনির্ভর বা উদ্যোক্তা হিসেবে। তিনি বলেন, এই চারটি ক্ষেত্রকেই সমান গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিতে হবে। তার মতে, এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি যেখানে সবার চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়াই একমাত্র লক্ষ্য হবে না। বরং দেশের চাহিদা ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং একজন শিক্ষার্থী যে বিষয়ে আগ্রহী ও দক্ষ, সেই বিষয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে।
মাহদী আমিন আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর, যেখানে শিক্ষার্থীদের মেধা, মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশের জন্য বিভিন্ন ট্রেডভিত্তিক দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। এই প্রশিক্ষণগুলো বাস্তব জীবনের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
রিপোর্টারের নাম 























