ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় স্থানান্তর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, ইরান তাদের হাজার হাজার পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ নাতাঞ্জের কাছে ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় সরিয়ে নিয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের শরৎকালে এই স্থানান্তর সম্পন্ন হয়। এটি এমন একটি স্থাপনা যা ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলায়ও অক্ষত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, এই স্থাপনাটি শক্ত গ্রানাইট শিলার ৩০০ ফুটেরও বেশি গভীরে নির্মিত। স্যাটেলাইট চিত্র এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ মাস ধরে সেখানে নির্মাণকাজ ও ট্রাক চলাচলের আলামত পাওয়া গেছে। তবে সেন্ট্রিফিউজগুলো ঠিক কোথা থেকে আনা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এখনো এই স্থাপনা পরিদর্শনের অনুমতি পায়নি। সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, ইরান ২০২১ সালে সেখানে পারমাণবিক কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘পিকঅ্যাক্স’কে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু উল্লেখ করে সেখানে হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা নেট সোয়ানসন সতর্ক করে বলেছেন যে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের বাইরে কোনো পারমাণবিক কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তবে ইরান বরাবরই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি করে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেটা এআই চ্যাটে আত্মহত্যার ইঙ্গিত পেলে অভিভাবক ও জরুরি সেবার কাছে বার্তা যাবে

ইরানের পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় স্থানান্তর

আপডেট সময় : ১১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, ইরান তাদের হাজার হাজার পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ নাতাঞ্জের কাছে ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় সরিয়ে নিয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের শরৎকালে এই স্থানান্তর সম্পন্ন হয়। এটি এমন একটি স্থাপনা যা ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলায়ও অক্ষত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, এই স্থাপনাটি শক্ত গ্রানাইট শিলার ৩০০ ফুটেরও বেশি গভীরে নির্মিত। স্যাটেলাইট চিত্র এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ মাস ধরে সেখানে নির্মাণকাজ ও ট্রাক চলাচলের আলামত পাওয়া গেছে। তবে সেন্ট্রিফিউজগুলো ঠিক কোথা থেকে আনা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এখনো এই স্থাপনা পরিদর্শনের অনুমতি পায়নি। সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, ইরান ২০২১ সালে সেখানে পারমাণবিক কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘পিকঅ্যাক্স’কে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু উল্লেখ করে সেখানে হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা নেট সোয়ানসন সতর্ক করে বলেছেন যে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের বাইরে কোনো পারমাণবিক কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তবে ইরান বরাবরই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি করে আসছে।