বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তিনি বলেন, সত্য কথা বললে সরকার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুব একটা খুশি হবে না। তাই শুধু আলোচনা নয়, মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত ‘শিক্ষা বিস্তারে অন্তরায় মাদক ও আওয়ামী দোসরের গভীর ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শামসুজ্জামান দুদু বলেন, তিনি যে গলিতে থাকেন, সেখানে মাদকের বিস্তার এতটাই ভয়াবহ যে চলাফেরা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। একটি ছোট গলির এই অভিজ্ঞতা যদি সারা দেশের চিত্র হয়, তবে আমরা একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আছি।
বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারের মানুষ। মাদকের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার নিয়ে সংসদেও সম্প্রতি আলোচনা হয়েছে। তার মনে হয়, শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি, আন্দোলন—সবকিছুই এই মাদকের কারণে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা শুধু বলছি ছাত্রছাত্রীরা মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু তাদের সহায়তায় আমরা কতটা এগিয়ে যেতে পেরেছি বা কী উদ্যোগ নিয়েছি, সেটাও আমাদের ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা কতটা ক্ষমতাশালী, বিত্তবান এবং প্রভাবশালী, তা আমরা কমবেশি সবাই জানি। সেই কারণে তারেক রহমান যে ৩১ দফার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করতে হলে যেকোনো শর্তে, যেকোনোভাবে তার পাশে দাঁড়াতে হবে। তার হাত শক্তিশালী না করা পর্যন্ত এই আলোচনা বাস্তবে রূপ নেবে না।
আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিম, সমন্বয়ক ইসমাইল হোসেন সিরাজী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।
রিপোর্টারের নাম 
























