নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ও সাদীপুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে দীর্ঘ তিন দশক ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন প্রায় ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। যাতায়াতের জন্য কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজ, হাটবাজার ও কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও প্রকট আকার ধারণ করে যখন সাঁকোটি পানির নিচে তলিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুলনগর ও কুমারচর গ্রামের মধ্যবর্তী এই নদে সেতু না থাকায় কুমারচর, জোয়ার, দৌলরদী, ফতেপুর, কুলকান্দি, দড়িকান্দি ও সাজালেরকান্দিসহ আশপাশের গ্রামের মানুষকে খরা মৌসুমে এলাকাবাসীর উদ্যোগে নির্মিত অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু বর্ষায় সাঁকোটি অকেজো হয়ে পড়লে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায় নৌকা। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী এবং জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়া অন্তঃসত্ত্বা নারী ও রোগীরা। বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ ও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় পাঠানো এই প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেতুটি নির্মিত হলে ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রিপোর্টারের নাম 





















