ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকাল

দেশের প্রবীণ রাজনীতিক ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৪ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বর্তমান সংসদের স্পিকারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালে পঞ্চগড় জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন মেয়াদে শিক্ষা, আইন, পররাষ্ট্র এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকাল

আপডেট সময় : ১১:১৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দেশের প্রবীণ রাজনীতিক ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৪ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বর্তমান সংসদের স্পিকারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালে পঞ্চগড় জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন মেয়াদে শিক্ষা, আইন, পররাষ্ট্র এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো।