ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ভারতে ‘গো-রক্ষকদের’ সাজা দিয়ে হত্যার হুমকির মুখে মুসলিম নারী বিচারক

ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষককে’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে উগ্রবাদীদের রোষানলে পড়েছেন বিচারক তাবাসসুম খান। রায়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে লক্ষ্য করে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিচারকের রায়ের আইনি দিক পর্যালোচনার পরিবর্তে তার ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে কট্টরপন্থিরা এই আক্রমণ চালাচ্ছে।

২০২২ সালে গরু পাচারের সন্দেহে নাজির আহমেদ নামে এক ট্রাকচালককে পিটিয়ে হত্যা করে একদল স্বঘোষিত গো-রক্ষক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত ১২ জুন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান এই হত্যাকাণ্ডকে অত্যন্ত বর্বর ও নৃশংস হিসেবে অভিহিত করে অভিযুক্তদের সাজা প্রদান করেন। এই রায়ের পর আদালত চত্বরে বিক্ষোভ এবং অনলাইনে উসকানিমূলক ভিডিও প্রচার শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের শীর্ষ আইনি সংস্থাগুলো বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা রক্ষার দাবিতে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

ভারতে ‘গো-রক্ষকদের’ সাজা দিয়ে হত্যার হুমকির মুখে মুসলিম নারী বিচারক

আপডেট সময় : ১১:১৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষককে’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে উগ্রবাদীদের রোষানলে পড়েছেন বিচারক তাবাসসুম খান। রায়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে লক্ষ্য করে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিচারকের রায়ের আইনি দিক পর্যালোচনার পরিবর্তে তার ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে কট্টরপন্থিরা এই আক্রমণ চালাচ্ছে।

২০২২ সালে গরু পাচারের সন্দেহে নাজির আহমেদ নামে এক ট্রাকচালককে পিটিয়ে হত্যা করে একদল স্বঘোষিত গো-রক্ষক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত ১২ জুন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান এই হত্যাকাণ্ডকে অত্যন্ত বর্বর ও নৃশংস হিসেবে অভিহিত করে অভিযুক্তদের সাজা প্রদান করেন। এই রায়ের পর আদালত চত্বরে বিক্ষোভ এবং অনলাইনে উসকানিমূলক ভিডিও প্রচার শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের শীর্ষ আইনি সংস্থাগুলো বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা রক্ষার দাবিতে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।