ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০ বছর পর আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের দুর্গন্ধ ও আবর্জনামুক্তকরণ কাজ শুরু

দীর্ঘ দুই দশক পর অবশেষে ঢাকার আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ময়লার ভাগাড় অপসারণ, দুর্গন্ধমুক্তকরণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশের পর ঢাকা জেলা প্রশাসন এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। শনিবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আমিনবাজারের হেমায়েতপুরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্ষাকালীন মহড়া পরিদর্শনে যাওয়ার পথে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের পাশে দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় এবং তীব্র দুর্গন্ধ প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসককে দ্রুত ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তরের নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা জেলা প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।

চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনে শনিবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঢাকা জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো সড়কটিকে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কার্যক্রমের আওতায়, সড়কের দুই পাশের সব ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তর করা হবে। রাস্তার দুই পাশ বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে ঢাল সংরক্ষণ করা হবে, যাতে বৃষ্টির পানিতে মাটি ধসে না যায়। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রাস্তার দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হবে। নতুন করে কেউ যাতে সেখানে ময়লা ফেলতে না পারে, সেজন্য রাস্তার দুই পাশে উঁচু বেড়া নির্মাণ করা হবে। সার্বক্ষণিক নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই সড়ককে দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তর করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়েও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশীয় চিকিৎসাসেবার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর: ‘মাকে বিদেশে নিইনি, এমন মানবিক সেবা সেখানে মিলতো না’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০ বছর পর আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের দুর্গন্ধ ও আবর্জনামুক্তকরণ কাজ শুরু

আপডেট সময় : ০২:৩৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ দুই দশক পর অবশেষে ঢাকার আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ময়লার ভাগাড় অপসারণ, দুর্গন্ধমুক্তকরণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশের পর ঢাকা জেলা প্রশাসন এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। শনিবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আমিনবাজারের হেমায়েতপুরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্ষাকালীন মহড়া পরিদর্শনে যাওয়ার পথে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের পাশে দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় এবং তীব্র দুর্গন্ধ প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসককে দ্রুত ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তরের নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা জেলা প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।

চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনে শনিবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঢাকা জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো সড়কটিকে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কার্যক্রমের আওতায়, সড়কের দুই পাশের সব ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তর করা হবে। রাস্তার দুই পাশ বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে ঢাল সংরক্ষণ করা হবে, যাতে বৃষ্টির পানিতে মাটি ধসে না যায়। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রাস্তার দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হবে। নতুন করে কেউ যাতে সেখানে ময়লা ফেলতে না পারে, সেজন্য রাস্তার দুই পাশে উঁচু বেড়া নির্মাণ করা হবে। সার্বক্ষণিক নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই সড়ককে দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তর করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়েও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।