ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ভাসছে মিরসরাই: পানিবন্দি শত শত পরিবার, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েকশ পরিবারের মানুষ। বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আউশ ধান, আমনের বীজতলা এবং শীতকালীন শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উপজেলার কাটাছড়া, দুর্গাপুর, মিঠানালা, হিঙ্গুলী, খৈয়াছড়া, মঘাদিয়া ও ইছাখালী ইউনিয়নের অনেক গ্রামে এখন কোমরসমান পানি। অনেক বাড়িতে চুলা জ্বালাবার উপায় নেই, ফলে দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্লাবিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ শুরু হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, পানি নেমে যাওয়ার পর ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দুর্গতদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন আইরিন খান

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ভাসছে মিরসরাই: পানিবন্দি শত শত পরিবার, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা

আপডেট সময় : ০২:৩০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েকশ পরিবারের মানুষ। বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আউশ ধান, আমনের বীজতলা এবং শীতকালীন শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উপজেলার কাটাছড়া, দুর্গাপুর, মিঠানালা, হিঙ্গুলী, খৈয়াছড়া, মঘাদিয়া ও ইছাখালী ইউনিয়নের অনেক গ্রামে এখন কোমরসমান পানি। অনেক বাড়িতে চুলা জ্বালাবার উপায় নেই, ফলে দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্লাবিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ শুরু হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, পানি নেমে যাওয়ার পর ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দুর্গতদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।