ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ প্রসারিত হয়।

শনিবার মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ‘তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সংকটকালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র, আর সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী কিংবা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এবং বিশেষ আলোচক হিসেবে মাভাবিপ্রবি-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু উপস্থিত ছিলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার চোখের জল: এক কৃষকের জীবনের যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ প্রসারিত হয়।

শনিবার মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ‘তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সংকটকালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র, আর সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী কিংবা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এবং বিশেষ আলোচক হিসেবে মাভাবিপ্রবি-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু উপস্থিত ছিলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।