বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে ঐতিহাসিক এক মুহূর্তের সাক্ষী হলো ডিআর কঙ্গো। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্সের মাধ্যমে মূল্যবান একটি পয়েন্ট অর্জন করেছে আফ্রিকান দেশটি। ২৯ বছর বয়সী তারকা ফরোয়ার্ড ইয়োয়ানে উইসার ঐতিহাসিক গোলে কঙ্গো বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট পাওয়ার গৌরব লাভ করে। নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের এই খেলোয়াড় শুরু থেকেই পর্তুগালের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসের সাথে খেলেছেন। ম্যাচের ১১ মিনিটে উইসা গোল করার একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি করলেও বলটি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর দুই মিনিট পর বাকাম্বুর একটি শট পর্তুগিজ ডিফেন্ডার আরাউজো ব্লক করে দেন। এই দুটি আক্রমণ কঙ্গোকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে ম্যাচের কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে। হাফটাইমের ঠিক আগে, পঞ্চম মিনিটে আর্থার মাসুয়াকুর নিখুঁত ক্রসে ডি-বক্সে অরক্ষিত উইসা অসাধারণ এক হেডে বল জালে পাঠান। এই গোলের মধ্য দিয়ে উইসা কঙ্গোর হয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম গোলদাতা হিসেবে ইতিহাস রচনা করেন। একই সাথে আফ্রিকান নেশনস কাপ এবং বিশ্বকাপে গোল করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। ম্যাচ শেষে উইসা বলেন, ‘এটি একটি দুর্দান্ত ও কঠিন ম্যাচ ছিল। বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে আমরা যে লড়াইয়ের মানসিকতা দেখিয়েছি, তা অবিশ্বাস্য। আমি এই মুহূর্তে খুবই আনন্দিত।’
তবে তিনি তার দেশের যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতির কথা স্মরণ করে বলেন, ‘কঙ্গো একটি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই ম্যাচটি দেশের মানুষের কাছে কেবল ফুটবলের চেয়েও অনেক বেশি কিছু।’ তিনি কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান সংঘাত এবং বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের কঠিন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি শুধু তাদের শান্তি কামনা করি।’
রিপোর্টারের নাম 
























