ঈদুল আজহায় দেশের কোরবানির পশুর চাহিদা শতভাগ পূরণ হয়েছে স্থানীয় খামারিদের উৎপাদিত গবাদিপশুর মাধ্যমেই। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি করা হয়েছে।
সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। বিপরীতে দেশে পশুর প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। ফলে চাহিদা মিটিয়েও প্রায় ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানি হওয়া পশুর সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি বেশি।
বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। প্রাণিসম্পদ খাতের এই আত্মনির্ভরশীলতা সরকারের আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারিবান্ধব নীতির সফল বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছে মন্ত্রণালয়। গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে সরকার ভবিষ্যতে এই খাতের উন্নয়নে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















