প্রকৃত অর্থে সুখী হওয়ার জন্য নারী ও পুরুষ উভয়েরই সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও এর গুরুত্ব অনুধাবন করা জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পদ বা অর্থ নয়, বরং মানুষের হাতে থাকা সময়ের সঠিক ব্যবহারই সুখের প্রকৃত চাবিকাঠি। একজন নারীকেও তার জীবনকে অর্থবহ করতে হলে সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং নিজের জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা প্রয়োজন।
আমাদের সমাজে মেয়েদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ত্রুটি রয়েছে। অধিকাংশ পরিবারে মেয়েদের শেখানো হয় কীভাবে ভালো স্ত্রী বা মা হওয়া যায়। তাদের স্বপ্ন, উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা মুক্তচিন্তার চেয়ে সামাজিক প্রথা ও সংসার সামলানোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। অভিভাবকরা মেয়েদের রাজকন্যার মতো আদর দিলেও, বাস্তব জীবনযুদ্ধের মুখোমুখি হওয়ার কৌশল শেখাতে ব্যর্থ হন।
মধ্যবিত্ত সমাজে মেয়েদের পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়ার মূল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায় একটি ভালো বিয়ে। বিয়ের পর সন্তান জন্মদানকেই নারীর জীবনের চূড়ান্ত সার্থকতা হিসেবে গণ্য করা হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন মানুষের শিক্ষা ও জীবনের লক্ষ্য কেবল বিয়ের গণ্ডিতে আটকে থাকা উচিত নয়, বরং ছেলেদের মতো নারীদেরও ব্যক্তিগত স্বপ্ন পূরণের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকা প্রয়োজন।
রিপোর্টারের নাম 
























