মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি: সরকারের ব্যর্থতায় দেশ বসবাসের অযোগ্য হবে

ঢাকা: বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা দেশের জন্য এক ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এই সরকার যদি ব্যর্থ হয়, তবে এ দেশে সাধারণ মানুষের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

শনিবার (তারিখ উল্লেখ নেই) শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন, ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নাঈম মোহাম্মদ ইফতেখারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান তালুকদার রতন এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আসলাম মাঝি উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আপনাদের অনুরোধ করে বলছি, এরপরও যদি আপনারা অনিয়মিতভাবে কাজ করেন, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন আর নরম থাকার সুযোগ নেই। আমরা অনেক কঠোর পদক্ষেপ নেব, যেখানে টার্মিনেশন বা সাসপেনশন পর্যন্ত হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এত আন্তরিক প্রধানমন্ত্রী আর আসবেন না। এই সরকারের সফলতা দেশের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। যদি আমরা আমাদের অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ হই, তবে মনে রাখবেন, শুধু আমরাই শেষ হব না, আপনারাও সবাই শেষ হবেন। তাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করুন এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকবেন না।’

এর আগে মন্ত্রী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে রোগীদের সমস্যার কথা শোনেন। তিনি রান্নাঘর, টয়লেট, স্টোররুম এবং অপারেশন থিয়েটারও ঘুরে দেখেন এবং কোনো ত্রুটি থাকলে তা খতিয়ে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী হাসপাতালের সামনের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেন। লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং নরমাল ডেলিভারি সেবা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পপুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিক সেন্টারটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, অন্যথায় সেটিও সিলগালা করার ঘোষণা দেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, ‘ক্লিনিক দুটি পরিদর্শনে এসে আমরা কোনো লাইসেন্স পাইনি, এমনকি তাদের নরমাল ডেলিভারি সেবাও ছিল না।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের রায় উপেক্ষা করে বিএনপি জনগণের সঙ্গে বেইমানি করেছে: রাবি ছাত্রশিবির

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি: সরকারের ব্যর্থতায় দেশ বসবাসের অযোগ্য হবে

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা: বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা দেশের জন্য এক ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এই সরকার যদি ব্যর্থ হয়, তবে এ দেশে সাধারণ মানুষের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

শনিবার (তারিখ উল্লেখ নেই) শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন, ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নাঈম মোহাম্মদ ইফতেখারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান তালুকদার রতন এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আসলাম মাঝি উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আপনাদের অনুরোধ করে বলছি, এরপরও যদি আপনারা অনিয়মিতভাবে কাজ করেন, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন আর নরম থাকার সুযোগ নেই। আমরা অনেক কঠোর পদক্ষেপ নেব, যেখানে টার্মিনেশন বা সাসপেনশন পর্যন্ত হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এত আন্তরিক প্রধানমন্ত্রী আর আসবেন না। এই সরকারের সফলতা দেশের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। যদি আমরা আমাদের অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ হই, তবে মনে রাখবেন, শুধু আমরাই শেষ হব না, আপনারাও সবাই শেষ হবেন। তাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করুন এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকবেন না।’

এর আগে মন্ত্রী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে রোগীদের সমস্যার কথা শোনেন। তিনি রান্নাঘর, টয়লেট, স্টোররুম এবং অপারেশন থিয়েটারও ঘুরে দেখেন এবং কোনো ত্রুটি থাকলে তা খতিয়ে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী হাসপাতালের সামনের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেন। লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং নরমাল ডেলিভারি সেবা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পপুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিক সেন্টারটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, অন্যথায় সেটিও সিলগালা করার ঘোষণা দেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, ‘ক্লিনিক দুটি পরিদর্শনে এসে আমরা কোনো লাইসেন্স পাইনি, এমনকি তাদের নরমাল ডেলিভারি সেবাও ছিল না।’