সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক গবেষণায় এক অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের গবেষণা বিশ্বসেরা বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হচ্ছে। ২০২৫-২৬ সালের গবেষণা সাময়িকী নেচারের সর্বশেষ ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৬০তম স্থানে দেখা যাচ্ছে, যা আগের বছর ছিল ৬১তম স্থানে।
এই ইনডেক্স ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪৫টি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান জার্নাল থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে ৬০তম এবং এশিয়া প্যাসিফিক এলাকায় ১৩তম দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের গবেষকদের অবস্থান বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে বিশ্বে ১৭৯টি দেশের মধ্যে ৬০তম এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ৩১টি দেশের মধ্যে ১৩তম। এছাড়াও বাংলাদেশের গবেষকেরা রসায়নে বিশ্বে ৭৬তম ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৫তম, পরিবেশ ও ভূবিজ্ঞানে বিশ্বে ৫৫তম ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১২তম, হেলথ সায়েন্সে বিশ্বে ৪৪তম ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১১তম এবং ফিজিক্যাল সায়েন্সে বিশ্বে ৭৯তম ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১১তম অবস্থানে রয়েছেন।
এই নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন জার্নালে বাংলাদেশিদের মোট ৯৪টি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা প্রকাশিত মোট জার্নালের ১৬ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। এর মধ্যে মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি ও শিশুরোগবিদ্যায় পাঁচটি করে, পুষ্টি ও খাদ্যবিদ্যায় ৯টি, ক্লিনিক্যাল সায়েন্সে ১২টি, হৃদরোগ ও রক্তরোগবিদ্যায় চারটি, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইনঅর্গানিক কেমিস্ট্রিতে একটি করে, পাবলিক হেলথ, পার্টিক্যাল অ্যান্ড হাই এনার্জি ফিজিক্স ও নিউরোসায়েন্সে তিনটি করে গবেষণা নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















