ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬: মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় প্রতীক অবমাননার মামলায় বড় পরিবর্তন

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা এবং জাতির পিতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে দায়ের করা সব মামলা বাতিলের বিধান রেখে নতুন ‘সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর ফলে এই সংক্রান্ত চলমান মামলার পাশাপাশি ইতিপূর্বে হওয়া দণ্ড বা জরিমানার ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দায়মুক্তি পাবেন।

নতুন এই আইনটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশ রহিত করে পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে। এতে বিতর্কিত ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কিছু ধারার কার্যকারিতা বাতিল করা হয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ ও ২৯ ধারার অধীনে যেসব মামলা তদন্তাধীন বা বিচারধীন ছিল, সেগুলো আর চলবে না বলে আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনের ৫০ ধারার উপধারা অনুযায়ী, এসব ধারায় কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত সাজাও বাতিল বলে গণ্য হবে। উল্লেখ্য, বিগত সরকারগুলোর আমলে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় প্রতীক অবমাননার অভিযোগে অসংখ্য মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ছিল। নতুন এই আইনি পরিবর্তনের ফলে সেই আইনি জটিলতাগুলোর অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬: মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় প্রতীক অবমাননার মামলায় বড় পরিবর্তন

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা এবং জাতির পিতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে দায়ের করা সব মামলা বাতিলের বিধান রেখে নতুন ‘সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর ফলে এই সংক্রান্ত চলমান মামলার পাশাপাশি ইতিপূর্বে হওয়া দণ্ড বা জরিমানার ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দায়মুক্তি পাবেন।

নতুন এই আইনটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশ রহিত করে পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে। এতে বিতর্কিত ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কিছু ধারার কার্যকারিতা বাতিল করা হয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ ও ২৯ ধারার অধীনে যেসব মামলা তদন্তাধীন বা বিচারধীন ছিল, সেগুলো আর চলবে না বলে আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনের ৫০ ধারার উপধারা অনুযায়ী, এসব ধারায় কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত সাজাও বাতিল বলে গণ্য হবে। উল্লেখ্য, বিগত সরকারগুলোর আমলে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় প্রতীক অবমাননার অভিযোগে অসংখ্য মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ছিল। নতুন এই আইনি পরিবর্তনের ফলে সেই আইনি জটিলতাগুলোর অবসান ঘটতে যাচ্ছে।