ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

রামিসার বোনের পড়াশোনা ও পরিবারের নিরাপদ আশ্রয়ের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের পড়াশোনার যাবতীয় খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার ব্যক্তিগতভাবে বহনের ঘোষণা দিয়েছেন।

পরিবারের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। রামিসার বাবা-মা একটি নিরাপদ আশ্রয়ের দাবি জানালে প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের জন্য স্থায়ী ও নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই পরিবারটির পুনর্বাসন এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা এখন রাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী এই দায়িত্বগুলো একান্তই মানবিক কারণে গ্রহণ করেছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই পরিবারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করার পাশাপাশি সরকারি তহবিল থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন। সরকার প্রধানের এমন পদক্ষেপে শোকাতুর পরিবারটি কিছুটা হলেও আশার আলো দেখছে।

রামিসার পরিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্রুততম সময়ে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, অপরাধী যে-ই হোক তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

রামিসার বোনের পড়াশোনা ও পরিবারের নিরাপদ আশ্রয়ের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের পড়াশোনার যাবতীয় খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার ব্যক্তিগতভাবে বহনের ঘোষণা দিয়েছেন।

পরিবারের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। রামিসার বাবা-মা একটি নিরাপদ আশ্রয়ের দাবি জানালে প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের জন্য স্থায়ী ও নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই পরিবারটির পুনর্বাসন এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা এখন রাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী এই দায়িত্বগুলো একান্তই মানবিক কারণে গ্রহণ করেছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই পরিবারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করার পাশাপাশি সরকারি তহবিল থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন। সরকার প্রধানের এমন পদক্ষেপে শোকাতুর পরিবারটি কিছুটা হলেও আশার আলো দেখছে।

রামিসার পরিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্রুততম সময়ে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, অপরাধী যে-ই হোক তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।