ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

‘সেবা প্রদান জনগণের প্রতি করুণা নয়, এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব’: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণকে সেবা প্রদান করা কোনো করুণা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। তিনি ভূমি ব্যবস্থাপনাকে দুর্নীতিমুক্ত, হয়রানিমুক্ত এবং প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচনি ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদের’ প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে এখন মানুষ ঘরে বসেই অনলাইনে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এক সময় কল্পনাতীত ছিল।

জমির মালিকানা ও রেকর্ড সংরক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময়ের সাথে সাথে জমির শরিকানা বাড়ছে এবং প্রক্রিয়াটি জটিল হচ্ছে। তাই ভূমি কর্মকর্তাদের দায়িত্বও অনেক বেড়েছে। মালিকানা, খাজনা, নামজারি ও পর্চাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী অঙ্গীকার করেন যে, ভূমি ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণভাবে নাগরিকবান্ধব ও আধুনিক করা হবে, যা দেশের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

‘সেবা প্রদান জনগণের প্রতি করুণা নয়, এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব’: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণকে সেবা প্রদান করা কোনো করুণা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। তিনি ভূমি ব্যবস্থাপনাকে দুর্নীতিমুক্ত, হয়রানিমুক্ত এবং প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচনি ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদের’ প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে এখন মানুষ ঘরে বসেই অনলাইনে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এক সময় কল্পনাতীত ছিল।

জমির মালিকানা ও রেকর্ড সংরক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময়ের সাথে সাথে জমির শরিকানা বাড়ছে এবং প্রক্রিয়াটি জটিল হচ্ছে। তাই ভূমি কর্মকর্তাদের দায়িত্বও অনেক বেড়েছে। মালিকানা, খাজনা, নামজারি ও পর্চাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী অঙ্গীকার করেন যে, ভূমি ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণভাবে নাগরিকবান্ধব ও আধুনিক করা হবে, যা দেশের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।