ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

শরীয়তপুরে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে তাণ্ডব, চিকিৎসক আইসিইউতে

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ক্ষুব্ধ স্বজনদের হামলায় হাসপাতালের এক চিকিৎসক গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে হাসপাতালের ইমারজেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লাল মিয়া কাজী নামের এক ব্যক্তি শুক্রবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা পাঠানোর পরামর্শ দেন, কিন্তু স্বজনরা তাকে রাতে সরাতে রাজি হননি। পরে রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান। এরপরই চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল হাসপাতালে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। তারা কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামকে পাথর ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে হাসপাতালের পাঁচ আনসার সদস্য ও একজন অফিস সহকারীও আহত হন। এই ঘটনায় পুরো হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

শরীয়তপুরে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে তাণ্ডব, চিকিৎসক আইসিইউতে

আপডেট সময় : ০২:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ক্ষুব্ধ স্বজনদের হামলায় হাসপাতালের এক চিকিৎসক গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে হাসপাতালের ইমারজেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লাল মিয়া কাজী নামের এক ব্যক্তি শুক্রবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা পাঠানোর পরামর্শ দেন, কিন্তু স্বজনরা তাকে রাতে সরাতে রাজি হননি। পরে রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান। এরপরই চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল হাসপাতালে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। তারা কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামকে পাথর ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে হাসপাতালের পাঁচ আনসার সদস্য ও একজন অফিস সহকারীও আহত হন। এই ঘটনায় পুরো হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হয়।