গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া পদ্মা সেতু থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখা গেছে, যাকে পরিবারের সদস্যরা ফোরকান বলে শনাক্ত করেছেন।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান আত্মগোপন করতে একটি ভাড়া করা প্রাইভেটকারে করে পদ্মা সেতুর দিকে যান। সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে তার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ফুটপাতে রেখে রেলিং টপকে নদীতে ঝাঁপ দিচ্ছেন। পরে মেহেরপুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি ফোরকানের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ৮ মে দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে নিজ বাড়িতে স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ফোরকান মিয়াকে একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ ফোরকানের লাশের সন্ধানে বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















