যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা। সম্প্রতি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উঠে এসেছে এক ভয়াবহ তথ্য, যেখানে ১৫টি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে একটি ছাড়া বাকি ১৪টিরই বৈধ কাগজপত্র নেই। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানে ভুল এবং অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, গত এক বছরে এমন অপচিকিৎসার কারণে প্রায় ৬ জন প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হয়েছে।
সভায় উপস্থিত স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদসহ কমিটির সদস্যরা এই পরিস্থিতিতে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জননী প্যাথলজি অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, এসএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিক, ফাতেমা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঝিকরগাছা প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, এসকে ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাজেদা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কপোতাক্ষ প্যাথলজি, পূর্বাশা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একতা মেডিকেল সার্ভিস, বি কে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বাঁকড়া মেডিকেল সার্ভিস, সীমান্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ইসলামিয়া হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আব্দুল মতিন জানান, তারা সংশ্লিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে দ্রুত লাইসেন্স নবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল রশিদ বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। এক সপ্তাহ আগেই উপজেলা প্রশাসনকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানিয়েছেন, এই মাসেই সকল ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক মাসের মধ্যে লাইসেন্স নবায়নের জন্য অবহিত করা হয়েছে। অন্যথায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
রিপোর্টারের নাম 





















