ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের বায়েজিদে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত শিশু রেশমির করুণ মৃত্যু

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ বিহারী কলোনিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত ১১ বছর বয়সী শিশু রেশমি আকতার অবশেষে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

গত ৭ মে, বৃহস্পতিবার রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা জানান, রেশমি তার মায়ের জন্য পান কিনতে দোকানে যাচ্ছিল। সেই সময় হঠাৎ সে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে বিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, রেশমির মস্তিষ্ক প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছিল এবং তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে রেশমি ছিল সবচেয়ে ছোট এবং স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহুবলে মাদকাসক্ত হয়ে পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার: যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের বায়েজিদে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত শিশু রেশমির করুণ মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:২৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ বিহারী কলোনিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত ১১ বছর বয়সী শিশু রেশমি আকতার অবশেষে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

গত ৭ মে, বৃহস্পতিবার রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা জানান, রেশমি তার মায়ের জন্য পান কিনতে দোকানে যাচ্ছিল। সেই সময় হঠাৎ সে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে বিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, রেশমির মস্তিষ্ক প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছিল এবং তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে রেশমি ছিল সবচেয়ে ছোট এবং স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।