পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। বিক্রি শুরুর মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৬০ লাখ হিট পড়েছে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে, যা এক অভূতপূর্ব রেকর্ড। এই বিপুল চাহিদার কারণে রেলের পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের নির্ধারিত টিকিট প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঈদযাত্রায় পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে ৪৩টি ট্রেনের মোট ৩১ হাজার ২৪০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ১৫ হাজার ৯৭৪ এবং পশ্চিমাঞ্চলে ১৫ হাজার ২৬৬টি আসন বরাদ্দ ছিল। গতকাল বুধবার সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পর সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পশ্চিমাঞ্চলের ১৪ হাজার ৫৩৫টি টিকিট বিক্রি হয়। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ১৪৮ জনে, যার ফলে পশ্চিমাঞ্চলের বেশিরভাগ টিকিটই দিনের শুরুতেই বিক্রি হয়ে যায়। বেলা ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার ২৪ মে যাত্রার টিকিট, আগামীকাল শুক্রবার ২৫ মে, শনিবার ২৬ মে এবং রোববার ২৭ মে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে। একজন যাত্রী ঈদের আগাম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। ঈদের অগ্রিম যাত্রার টিকিট কোনোভাবেই রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য হবে না।
এছাড়াও, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিভিন্ন রুটে ১০টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য, যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ছাড়া) স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে। আগামী ২১ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে।
অন্যদিকে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত শুক্রবার থেকে। বিভিন্ন বাস কোম্পানি অনলাইন ও কাউন্টার উভয় মাধ্যমেই টিকিট বিক্রি করছে। যদিও ২১ মে থেকে ঈদের আগের দিনের বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে, গতকাল পর্যন্ত খুব একটা ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, দূরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোতে তেমন ভিড় নেই। তবে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও ৫০-১০০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকটি বাস কোম্পানির বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৭ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, ফলে ২৪ ও ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















