ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ৩৩ মণের ‘কালো মানিক’, দাম হাঁকা হচ্ছে ১৩ লাখ টাকা

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বিশালাকৃতির এক ষাঁড় নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘কালো মানিক’। প্রায় ৩৩ মণ ওজনের এই গরুটির দাম ১৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছেন খামারি। বিশালদেহী এই পশুটিকে একনজর দেখতে প্রতিদিন খামারে ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা উৎসুক জনতা ও সম্ভাব্য ক্রেতারা।

রাঙ্গুনিয়ার সায়েদাবাদ এলাকার আনোয়ার ডেইরি ফার্মে গত পাঁচ বছর ধরে অত্যন্ত যত্নসহকারে বড় করা হয়েছে এই কালো মানিককে। খামারি আনোয়ার হোসেন জানান, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুষি ও ভুট্টা। গত কয়েক বছরে গরুটির পেছনে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি। বিশাল আকৃতির হলেও গরুটির স্বভাব অত্যন্ত শান্ত এবং দড়ি ছাড়াই একে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

আনোয়ার হোসেনের এই খামারে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ৬০টি গরু রয়েছে। শুধু গবাদি পশুই নয়, তার পোল্ট্রি খামার থেকেও প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ডিম ও দুধ উৎপাদিত হয়। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এবার কোরবানির পশুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং স্থানীয় খামারিরা সেই চাহিদা মেটাতে কালো মানিকের মতো বড় পশু প্রস্তুত করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের করুণ মৃত্যু

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ৩৩ মণের ‘কালো মানিক’, দাম হাঁকা হচ্ছে ১৩ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বিশালাকৃতির এক ষাঁড় নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘কালো মানিক’। প্রায় ৩৩ মণ ওজনের এই গরুটির দাম ১৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছেন খামারি। বিশালদেহী এই পশুটিকে একনজর দেখতে প্রতিদিন খামারে ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা উৎসুক জনতা ও সম্ভাব্য ক্রেতারা।

রাঙ্গুনিয়ার সায়েদাবাদ এলাকার আনোয়ার ডেইরি ফার্মে গত পাঁচ বছর ধরে অত্যন্ত যত্নসহকারে বড় করা হয়েছে এই কালো মানিককে। খামারি আনোয়ার হোসেন জানান, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুষি ও ভুট্টা। গত কয়েক বছরে গরুটির পেছনে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি। বিশাল আকৃতির হলেও গরুটির স্বভাব অত্যন্ত শান্ত এবং দড়ি ছাড়াই একে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

আনোয়ার হোসেনের এই খামারে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ৬০টি গরু রয়েছে। শুধু গবাদি পশুই নয়, তার পোল্ট্রি খামার থেকেও প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ডিম ও দুধ উৎপাদিত হয়। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এবার কোরবানির পশুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং স্থানীয় খামারিরা সেই চাহিদা মেটাতে কালো মানিকের মতো বড় পশু প্রস্তুত করছেন।